পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় অনুশীলনী প্রশ্ন উত্তর Teach Vibes

 পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয় প্রশ্ন উত্তর




নবম শ্রেণী - ভূগোল (অধ্যায় ২)

পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

MCQ প্রশ্ন ও উত্তর (মান-১)
১। প্রত্যেকটি অক্ষরেখা—
(ক) অর্ধবৃত্ত (খ) পূর্ণবৃত্ত (গ) মহাবৃত্ত (ঘ) উপবৃত্ত
সঠিক উত্তর: (খ) পূর্ণবৃত্ত
২। অক্ষরেখাগুলির মধ্যে সবচেয়ে বড়ো হল—
(ক) নিরক্ষরেখা (খ) কর্কটক্রান্তি রেখা (গ) মকরক্রান্তি রেখা (ঘ) সুমেরুবৃত্তরেখা
সঠিক উত্তর: (ক) নিরক্ষরেখা
৩। নিরক্ষরেখার মান হল—
(ক) ০° (খ) ১৮০° (গ) ২৩.৫° (ঘ) ৬৬.৫°
সঠিক উত্তর: (ক) ০°
৪। নিম্নলিখিতগুলির মধ্যে কোনটি মহাবৃত্ত—
(ক) মূল মধ্যরেখা (খ) কর্কটক্রান্তি (গ) মকরক্রান্তি রেখা (ঘ) নিরক্ষরেখা
সঠিক উত্তর: (ঘ) নিরক্ষরেখা
৫। ১° অন্তর পৃথিবীতে মোট অক্ষরেখার সংখ্যা কয়টি—
(ক) ১৭৮ (খ) ১৭৯ (গ) ১৮০ (ঘ) ১৮১ টি
সঠিক উত্তর: (খ) ১৭৯টি
৬। নিরক্ষরেখার অপর নাম—
(ক) মূল মধ্যরেখা (খ) বিষুবরেখা (গ) কর্কটক্রান্তি রেখা (ঘ) দেশান্তর
সঠিক উত্তর: (খ) বিষুবরেখা
৭। রাত্রে কর্কটক্রান্তি রেখায় ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ—
(ক) ০° (খ) ২৩.৫° (গ) ৬৬.৫° (ঘ) ৯০°
সঠিক উত্তর: (খ) ২৩.৫°
৮। পৃথিবীর নিরক্ষীয় তল থেকে কলকাতার কৌণিক পরিমাপ হল—
(ক) ২০°৩০′ (খ) ২২°৩৪′ (গ) ২৮°৩৪′ (ঘ) ৩৮°৪৪′
সঠিক উত্তর: (খ) ২২°৩৪′ উত্তর
৯। ১° ব্যবধানে দুটি দ্রাঘিমার মধ্যে দূরত্ব সবচেয়ে বেশি হয়—
(ক) মেরু অঞ্চলে (খ) নিরক্ষরেখায় (গ) কর্কটক্রান্তি রেখায় (ঘ) কোনোটিই নয়
সঠিক উত্তর: (খ) নিরক্ষরেখায় (১১১ কিমি)
১০। কোন্ জ্যোতিষ্কের মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়া থেকে রাত্রে অক্ষাংশ নির্ণয় সম্ভব—
(ক) চাঁদ (খ) সূর্য (গ) ধ্রুবতারা (ঘ) হ্যাডলির অক্ট্যান্ট
সঠিক উত্তর: (ঘ) হ্যাডলির অক্ট্যান্ট
১১। গ্লোবের উপর অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা দ্বারা সৃষ্ট জালক হল—
(ক) রেখা জালক (খ) গ্রাটিকিউল (গ) ভূ-জালক (ঘ) ক্ষুদ্র জালক
সঠিক উত্তর: (খ) গ্রাটিকিউল
১২। দ্রাঘিমারেখার সর্বোচ্চ মান—
(ক) ৫০° (খ) ৯০° (গ) ১৬০° (ঘ) ১৮০°
সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৮০°
১৩। মূল মধ্যরেখার মান—
(ক) ০° (খ) ৯০° (গ) ১২০° (ঘ) ১৮০°
সঠিক উত্তর: (ক) ০°
১৪। ১° দ্রাঘিমা পার্থক্যে সময়ের তফাত হয়—
(ক) ২ মিনিট (খ) ৪ মিনিট (গ) ১০ মিনিট (ঘ) ১২ মিনিট
সঠিক উত্তর: (খ) ৪ মিনিট
১৫। গ্রিনিচের সময় নির্ণায়ক ঘড়ি হল—
(ক) ব্যারোমিটার (খ) অ্যানিমোমিটার (গ) ক্রনোমিটার (ঘ) হাইগ্রোমিটার
সঠিক উত্তর: (গ) ক্রনোমিটার
১৬। কোন দেশটিতে প্রমাণ দ্রাঘিমার সংখ্যা সর্বাধিক—
(ক) কানাডা (খ) চিন (গ) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (ঘ) রাশিয়া
সঠিক উত্তর: (ঘ) রাশিয়া
১৭। ভারতের সঙ্গে নেপালের প্রমাণ সময়ের তফাত—
(ক) ১ ঘণ্টা (খ) ৪৫ মিনিট (গ) ৩০ মিনিট (ঘ) ১৫ মিনিট
সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৫ মিনিট
১৮। আন্তর্জাতিক তারিখরেখা মোটামুটি কোন দ্রাঘিমাকে অনুসরণ করেছে—
(ক) ০° (খ) ৬০° (গ) ৯০° (ঘ) ১৮০°
সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৮০°
১৯। মূল মধ্যরেখার প্রতিপাদ দ্রাঘিমারেখার মান হল—
(ক) ০° (খ) ৯০° পঃ (গ) ৯০° পূঃ (ঘ) ১৮০°
সঠিক উত্তর: (ঘ) ১৮০°
২০। গ্রিনিচের সঙ্গে ভারতের সময়ের তফাত—
(ক) ৫ ঘণ্টা (খ) ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট (গ) ৭ ঘণ্টা (ঘ) ৮ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
সঠিক উত্তর: (খ) ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট
২১। কোন অক্ষরেখায় ধ্রুবতারাকে একেবারে মাথার ওপর দেখা যাবে—
(ক) ০° (খ) ২৩.৫° উঃ (গ) ৬৬.৫° উঃ (ঘ) ৯০° উঃ
সঠিক উত্তর: (ঘ) ৯০° উঃ
২২। মকরক্রান্তিরেখার মান হল—
(ক) ৬৬.৫° উঃ (খ) ৬৬.৫° দঃ (গ) ২৩.৫° উঃ (ঘ) ২৩.৫° দঃ
সঠিক উত্তর: (ঘ) ২৩.৫° দঃ
২৩। আন্তর্জাতিক দ্রাঘিমা সম্মেলন কত সালে অনুষ্ঠিত হয়—
(ক) ১৮৮৪ (খ) ১৯১০ (গ) ১৯৪৮ (ঘ) ১৯৮৪
সঠিক উত্তর: (ক) ১৮৮৪
২৪। আন্তর্জাতিক দ্রাঘিমা সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল—
(ক) লন্ডন (খ) প্যারিস (গ) ওয়াশিংটন (ঘ) জেনেভা
সঠিক উত্তর: (গ) ওয়াশিংটন
২৫। অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখা পরস্পর কত ডিগ্রি কোণে ছেদ হয়—
(ক) ১৫° (খ) ২৩.৫° (গ) ৬৬.৫° (ঘ) ৯০°
সঠিক উত্তর: (ঘ) ৯০°
২৬। পাকিস্তানের প্রমাণ সময়—
(ক) ভারতের চেয়ে এগিয়ে (খ) ৩০ মিনিট পিছিয়ে (গ) ১ ঘণ্টা পিছিয়ে (ঘ) ১ ঘণ্টা এগিয়ে
সঠিক উত্তর: (খ) ৩০ মিনিট পিছিয়ে
২৭। কোন দেশটি বৃহৎ হওয়া সত্ত্বেও প্রমাণ দ্রাঘিমা মাত্র একটি—
(ক) রাশিয়া (খ) ব্রেজিল (গ) কানাডা (ঘ) চিন
সঠিক উত্তর: (ঘ) চিন
২৮। অস্ট্রেলিয়া থেকে কানাডা গেলে তারিখের কী পরিবর্তন হবে—
(ক) ১ দিন বাড়বে (খ) ২ দিন বাড়বে (গ) ১ দিন কমবে (ঘ) ২ দিন কমবে
সঠিক উত্তর: (গ) ১ দিন কমবে
২৯। আন্তর্জাতিক দ্রাঘিমা সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়—
(ক) ওয়াশিংটন (খ) লন্ডন (গ) নিউইয়র্ক (ঘ) প্যারিস
সঠিক উত্তর: (ক) ওয়াশিংটন
৩০। কোন রাজ্যটির উপর দিয়ে ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমারেখা বিস্তৃত—
(ক) রাজস্থান (খ) উত্তরপ্রদেশ (গ) মহারাষ্ট্র (ঘ) পশ্চিমবঙ্গ
সঠিক উত্তর: (খ) উত্তরপ্রদেশ
৩১। কোন অক্ষরেখাটির কেন্দ্র ও পৃথিবীর কেন্দ্র একই স্থানে রয়েছে—
(ক) নিরক্ষরেখা (খ) কর্কটক্রান্তি রেখা (গ) মকরক্রান্তি রেখা (ঘ) সুমেরুবৃত্ত রেখা
সঠিক উত্তর: (ক) নিরক্ষরেখা
© 2026 Teach Vibes | শিক্ষার আলোয় গড়ব ভবিষ্যৎ

ভূগোল অনুশীলন: সত্য না মিথ্যা?

বাক্যটি 'সত্য' হলে 'ঠিক' এবং 'অসত্য' হলে 'ভুল' লেখো

১। দ্রাঘিমারেখাগুলি পূর্ণবৃত্ত।
উত্তর: ভুল
২। প্রতিটি দ্রাঘিমা পরস্পর সমান্তরাল।
উত্তর: ভুল
৩। অক্ষরেখাগুলি নিরক্ষরেখার সমান্তরালে বিস্তৃত।
উত্তর: ঠিক
৪। সর্বনিম্ন অক্ষরেখার মান ০°।
উত্তর: ঠিক
৫। মূল মধ্যরেখা বরাবর হাঁটলে জলবায়ুর পরিবর্তন হয়।
উত্তর: ঠিক
৬। কর্কটক্রান্তি রেখা বরাবর হাঁটলে আমরা জলবায়ুর পরিবর্তন লক্ষ করব।
উত্তর: ভুল
৭। কোনো স্থান থেকে পূর্বদিকে গেলে সময় বাড়ে।
উত্তর: ঠিক
৮। পশ্চিম গোলার্ধে দ্রাঘিমার মান বাড়লে সময় কমে।
উত্তর: ঠিক
৯। দ্রাঘিমারেখাগুলি দুই মেরুতে মিলিত হয়েছে।
উত্তর: ঠিক
১০। প্রতিটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান।
উত্তর: ঠিক
১১। গ্রিনিচের সময়ের থেকে ভারতের সময় পিছিয়ে রয়েছে।
উত্তর: ভুল
১২। সুমেরু বিন্দু থেকে ধ্রুবতারাকে দিগন্তে দেখা যায়।
উত্তর: ভুল
১৩। প্রতিটি অক্ষরেখাই মহাবৃত্ত।
উত্তর: ভুল
১৪। প্রত্যেকটি দ্রাঘিমা একে অপরের সমান্তরাল।
উত্তর: ভুল
১৫। নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর ও দক্ষিণে দুটি দ্রাঘিমারেখার মধ্যে দূরত্ব ক্রমশ কমে।
উত্তর: ঠিক
১৬। শ্রীলঙ্কায় বেড়াতে গেলে ঘড়ির সময়ের কোনো পরিবর্তন করতে হয় না।
উত্তর: ঠিক
১৭। সমুদ্রে জাহাজ মহাবৃত্ত পথে যাতায়াত করে।
উত্তর: ঠিক
১৮। চিনে সময় অঞ্চল এক এর অধিক।
উত্তর: ভুল (চিনে বিশাল এলাকা সত্ত্বেও একটিই টাইম জোন)
১৯। একই দ্রাঘিমা বরাবর প্রমাণ সময় আলাদা হতে পারে।
উত্তর: ভুল
২০। নিরক্ষীয় অঞ্চল নাতিশীতোষ্ণমণ্ডলের অন্তর্গত।
উত্তর: ভুল
অধ্যায়: ২ | নবম শ্রেণী ভূগোল | Teach Vibes Exclusive

ভূগোল অনুশীলন: স্তম্ভ মেলাও ও শূন্যস্থান পূরণ

অধ্যায় ২: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

১. স্তম্ভ মেলাও (প্রশ্নমান-১)

স্তম্ভ ‘ক’ স্তম্ভ ‘খ’ (সঠিক উত্তর)
নিরক্ষরেখা (ঘ) ০°
কর্কটক্রান্তি রেখা (ক) ২৩.৫° উঃ
সুমেরু (গ) ৯০° উঃ
কুমেরুবৃত্ত রেখা (খ) ৬৬.৫° দঃ
মকরক্রান্তি রেখা (চ) ২৩.৫° দঃ
আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (ঙ) ১৮০°

২. উপযুক্ত শব্দ বসিয়ে শূন্যস্থান পূরণ করো

১। নিরক্ষরেখার অপর নাম হল— বিষুবরেখা
২। মূল মধ্যরেখার মান— ০°
৩। প্রতিটি অক্ষরেখাকে দ্রাঘিমারেখা ____ ডিগ্রি কোণে ছেদ করে। ৯০° (সমকোণে)
৪। অক্ষাংশের সর্বোচ্চ মান ____ ডিগ্রি। ৯০°
৫। অক্ষরেখাগুলির মধ্যে একমাত্র ____ হল মহাবৃত্ত। নিরক্ষরেখা
৬। পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধের তারিখ বিভাজনকারী রেখা হল— আন্তর্জাতিক তারিখরেখা
৭। সুমেরুবৃত্তের মান হল— ৬৬.৫° উত্তর
৮। উত্তর গোলার্ধে রাত্রে অক্ষাংশ নির্ণয় করা যায় ____ নক্ষত্রের মাধ্যমে। ধ্রুবতারা (Pole Star)
৯। অক্ষাংশের ভিত্তিতে পৃথিবীকে ____ টি তাপবলয়ে ভাগ করা হয়েছে। ৫টি (প্রধানত ৩টি)
১০। দ্রাঘিমার সর্বোচ্চ মান ____ ডিগ্রি। ১৮০°
১১। ১৮০° দ্রাঘিমার প্রতিপাদ দ্রাঘিমা হল— ০° (মূল মধ্যরেখা)
১২। আন্তর্জাতিক তারিখরেখার মান ____ ডিগ্রি। ১৮০°
১৩। ৪০° উঃ অক্ষাংশের প্রতিপাদস্থানের অক্ষাংশ হবে— ৪০° দক্ষিণ
১৪। ৬৬.৫° উঃ অক্ষরেখাটির নাম হল— সুমেরুবৃত্ত রেখা
১৫। গ্রিনিচের সময় নির্ণায়ক ঘড়ি হল— ক্রনোমিটার

© 2026 Teach Vibes | পড়াশোনার সব সমাধান এখন এক জায়গায়।

ভূগোল কুইজ: এক কথায় উত্তর দাও

অধ্যায়: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

প্রশ্নমান: ১
১। পৃথিবীর একেবারে মাঝবরাবর পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত রেখাটির নাম কী?
নিরক্ষরেখা বা বিষুবরেখা
২। কুমেরুবিন্দুর মান কত?
৯০° দক্ষিণ
৩। নিরক্ষরেখা যে তলে অবস্থিত তা কী নামে পরিচিত?
নিরক্ষীয় তল
৪। ৩০° উঃ অক্ষাংশের প্রতিপাদ অক্ষাংশের মান কত?
৩০° দক্ষিণ
৫। আন্তর্জাতিক দ্রাঘিমা সম্মেলন কোন্ শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল?
ওয়াশিংটন ডি.সি. (১৮৮৪ সালে)
৬। জাহাজ বা বিমান কোন্ ঘড়ির সময় ধরে চলে?
ক্রনোমিটার (গ্রিনিচের সময়)
৭। কোন্ স্থানে সূর্যের উন্নতি কোণ যখন সর্বোচ্চ হয় তখন সেখানে স্থানীয় সময় অনুযায়ী ক'টা বাজে?
বেলা ১২টা
৮। আমাদের দেশে কোন্ রাজ্যে প্রথম সূর্য ওঠে?
অরুণাচল প্রদেশ
৯। দ্রাঘিমারেখাগুলি কোন্ স্থানে পরস্পর মিলিত হয়েছে?
উত্তর ও দক্ষিণ মেরু বিন্দুতে
১০। কোন্ মানের অক্ষরেখা বিন্দুতে পরিণত হয়েছে?
৯০° (মেরু বিন্দু)
১১। দ্রাঘিমারেখার অপর নাম কী?
দেশান্তর রেখা (বা মধ্যরেখা)
১২। গ্রিনিচ দ্রাঘিমার মান কত?
০° (শূন্য ডিগ্রি)
ধন্যবাদ! পড়াশোনার আরও নোটস পেতে ভিজিট করুন Teach Vibes

সংক্ষিপ্ত উত্তরধর্মী প্রশ্নোত্তর (মান-২)

অধ্যায়: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

১। গোলকীয় তলে কাদের মাধ্যমে ভৌগোলিক জালক সৃষ্টি হয়?
পৃথিবীর কাল্পনিক কক্ষপথের সমান্তরালে বিস্তৃত অক্ষরেখা এবং উত্তর-দক্ষিণ মেরু সংযুক্তকারী দ্রাঘিমারেখা যখন পরস্পরকে সমকোণে ছেদ করে, তখনই পৃথিবীপৃষ্ঠে ভৌগোলিক জালক বা 'গ্রাটিকিউল' (Graticule) সৃষ্টি হয়।
২। নিরক্ষরেখাকে বিষুবরেখা বলে কেন?
'বিষুব' শব্দের অর্থ হলো 'দিন ও রাত্রি সমান'। নিরক্ষরেখার ওপর সারা বছর সূর্য লম্বভাবে কিরণ দেয় বলে এই রেখায় অবস্থিত দেশগুলিতে দিন ও রাতের দৈর্ঘ্য সর্বদা সমান থাকে। এই কারণে নিরক্ষরেখাকে বিষুবরেখা বলা হয়।
৩। নিরক্ষরেখা মহাবৃত্ত কেন?
মহাবৃত্ত হলো এমন একটি বৃত্ত যার কেন্দ্র এবং পৃথিবীর কেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থিত। নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে সমান দুটি গোলার্ধে বিভক্ত করে এবং এর পরিধি পৃথিবীর সর্বাধিক ব্যাসের সমান। তাই নিরক্ষরেখাকে মহাবৃত্ত বলা হয়।
৪। অক্ষাংশ ও অক্ষরেখার তফাত কী?
অক্ষাংশ: কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব যা পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে নিরক্ষীয় তল অনুযায়ী পরিমাপ করা হয়।
অক্ষরেখা: একই অক্ষাংশ যুক্ত স্থানগুলিকে সংযোগকারী কাল্পনিক পূর্ব-পশ্চিম বিস্তৃত পূর্ণবৃত্ত রেখাই হলো অক্ষরেখা।
৫। নিরক্ষরেখা বরাবর হাঁটলে কী ধরনের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়?
নিরক্ষরেখা বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে হাঁটলে জলবায়ুর কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না, তবে দ্রাঘিমাংশের পরিবর্তনের ফলে স্থানীয় সময়ের পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। প্রতি ১° দ্রাঘিমা অন্তর ৪ মিনিট করে সময়ের পার্থক্য ঘটে।
৬। উষ্ণমণ্ডলে উষ্ণতা বেশি হয় কেন?
উষ্ণমণ্ডল বা নিরক্ষীয় অঞ্চলে সূর্য সারা বছর প্রায় লম্বভাবে কিরণ দেয়। লম্বভাবে পড়া রশ্মি বায়ুমণ্ডলের কম পথ অতিক্রম করে এবং ক্ষুদ্র স্থানে সীমাবদ্ধ থাকে বলে এই অঞ্চলে তাপের তীব্রতা ও গড় উষ্ণতা সবচেয়ে বেশি হয়।
৭। G.M.T কী?
G.M.T-এর পূর্ণরূপ হলো Greenwich Mean Time। লণ্ডনের গ্রিনিচ মানমন্দিরের ওপর দিয়ে বিস্তৃত ০° দ্রাঘিমারেখা বা মূল মধ্যরেখার যে স্থানীয় সময়, তাকেই আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় বা G.M.T বলা হয়।
৮। মূল মধ্যরেখা কী?
লন্ডনের গ্রিনিচ শহরের ওপর দিয়ে উত্তর থেকে দক্ষিণে বিস্তৃত যে রেখাটির মান ০° ধরা হয়েছে, তাকেই মূল মধ্যরেখা বলা হয়। এটি পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে বিভক্ত করেছে এবং বিশ্বের প্রমাণ সময় নির্ধারণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
৯। ১° দ্রাঘিমা তফাতে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট হয় কেন?
পৃথিবী তার নিজের অক্ষে ৩৬০° ঘুরতে সময় নেয় ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট। অতএব, ১° ঘুরতে সময় লাগে (১৪৪০ ÷ ৩৬০) = ৪ মিনিট। এই কারণেই দ্রাঘিমার ১° পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট হয়।
১০। সময় অঞ্চল (Time Zone) কী?
বিশাল আয়তন সম্পন্ন দেশের বিভিন্ন স্থানে স্থানীয় সময়ের অনেক পার্থক্য দেখা যায়। এই অসুবিধা দূর করার জন্য দেশটিকে কতগুলি নির্দিষ্ট দ্রাঘিমাংশ এলাকায় ভাগ করা হয়, যেখানে একটিই প্রমাণ সময় চালু থাকে। এই প্রতিটি এলাকাকে সময় অঞ্চল বা টাইম জোন বলা হয়।
১১। ভূজালক কী?
গ্লোব বা মানচিত্রের ওপর উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত দ্রাঘিমারেখা এবং পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত অক্ষরেখাগুলি পরস্পরকে লম্বভাবে ছেদ করে যে জ্যামিতিক জালিকা তৈরি করে, তাকেই ভূজালক বা 'গ্রাটিকিউল' বলা হয়।
১২। মহাবৃত্ত ও ক্ষুদ্র বৃত্তের তফাত কী?
মহাবৃত্ত: যে বৃত্তের কেন্দ্র পৃথিবীর কেন্দ্রের সাথে মিলে যায় (যেমন- নিরক্ষরেখা)।
ক্ষুদ্র বৃত্ত: যে বৃত্তের কেন্দ্র পৃথিবীর কেন্দ্রের সাথে মেলে না এবং পরিধি মহাবৃত্তের চেয়ে ছোট (যেমন- কর্কটক্রান্তি রেখা)।
১৩। দ্রাঘিমা ও দ্রাঘিমারেখার তফাত কী?
দ্রাঘিমা: মূল মধ্যরেখা থেকে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব হলো সেই স্থানের দ্রাঘিমা।
দ্রাঘিমারেখা: একই দ্রাঘিমাযুক্ত স্থানগুলিকে সংযোগকারী উত্তর-দক্ষিণে বিস্তৃত কাল্পনিক অর্ধবৃত্ত রেখা হলো দ্রাঘিমারেখা।
১৪। অক্ষরেখার অপর নাম কেন সমাক্ষরেখা?
'সম' মানে সমান এবং 'অক্ষ' মানে অক্ষাংশ। প্রতিটি অক্ষরেখায় অবস্থিত সকল স্থানের কৌণিক দূরত্ব বা অক্ষাংশ সমান থাকে বলে অক্ষরেখাকে সমাক্ষরেখা বলা হয়।
১৫। নিরক্ষরেখার গুরুত্ব কী?
নিরক্ষরেখার প্রধান গুরুত্ব হলো— ১. এটি পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধে ভাগ করে। ২. এটি একটি মহাবৃত্ত যা অক্ষাংশ ও তাপবলয় নির্ধারণের প্রধান ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
© 2026 Teach Vibes | পড়াশোনার সব সমাধান এখন আপনার মুঠোয়।

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যামূলক প্রশ্নোত্তর (মান-৩)

অধ্যায়: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

১। পৃথিবীপৃষ্ঠে অবস্থান নির্ণয়ের প্রয়োজন হয় কেন?
পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো নির্দিষ্ট স্থানের অবস্থান জানার গুরুত্ব অপরিসীম:
  • ভৌগোলিক পরিচয়: কোনো দেশ বা শহর ঠিক কোথায় অবস্থিত তা জানার জন্য অক্ষাংশ ও দ্রাঘিমাংশ প্রয়োজন।
  • যোগাযোগ ও পরিবহন: জাহাজ বা বিমান চলাচলের সময় সঠিক পথ নির্ধারণ এবং গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য অবস্থান নির্ণয় অত্যাবশ্যক।
  • সময় নির্ধারণ: কোনো স্থানের স্থানীয় সময় এবং আন্তর্জাতিক সময় জানার জন্য সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ জানা প্রয়োজন।
  • প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলা: ঝড়, ঘূর্ণিঝড় বা ভূমিকম্পের উৎসস্থল এবং প্রভাব বিস্তারকারী অঞ্চল চিহ্নিত করতে অবস্থান নির্ণয় সাহায্য করে।
২। মহাবৃত্ত কী?
গোলকের ওপর অঙ্কিত যে বৃত্তের কেন্দ্র এবং গোলকের কেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থান করে, তাকে মহাবৃত্ত (Great Circle) বলে।
বৈশিষ্ট্য:
  • এটি গোলককে দুটি সমান অংশে বা গোলার্ধে বিভক্ত করে।
  • মহাবৃত্তের পরিধিই গোলকের বৃহত্তম পরিধি।
  • পৃথিবীপৃষ্ঠে নিরক্ষরেখা এবং প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা জোড়া (যেমন- ০° ও ১৮০°) মহাবৃত্তের উদাহরণ।
[attachment_0](attachment)
৩। নিরক্ষরেখাকে মহাবৃত্ত বলার কারণ কী?
নিরক্ষরেখাকে মহাবৃত্ত বলার প্রধান কারণগুলি হলো:
  • কেন্দ্রের অবস্থান: নিরক্ষরেখার কেন্দ্র এবং পৃথিবীর কেন্দ্র একই বিন্দুতে অবস্থিত।
  • সমান গোলার্ধ: নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণ—এই দুটি সমান গোলার্ধে বিভক্ত করেছে।
  • বৃহত্তম পরিধি: পৃথিবীপৃষ্ঠে অঙ্কিত সকল অক্ষরেখার মধ্যে নিরক্ষরেখার পরিধিই সবচেয়ে বড়। অন্য কোনো অক্ষরেখা পৃথিবীকে সমান দুটি ভাগে ভাগ করতে পারে না।
৪। অক্ষরেখার ব্যবহার উল্লেখ করো।
অক্ষরেখার প্রধান ব্যবহারগুলি নিচে আলোচনা করা হলো:
  • অবস্থান নির্ণয়: কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে কতটা উত্তরে বা দক্ষিণে অবস্থিত তা অক্ষরেখার সাহায্যে জানা যায়।
  • জলবায়ু অঞ্চল নির্ধারণ: অক্ষাংশের ওপর ভিত্তি করে পৃথিবীকে বিভিন্ন তাপবলয়ে (যেমন- উষ্ণমণ্ডল, নাতিশীতোষ্ণমণ্ডল) ভাগ করা হয়েছে।
  • দূরত্ব নির্ণয়: অক্ষাংশের ১° পার্থক্যে ভূপৃষ্ঠে গড় দূরত্ব প্রায় ১১১ কিমি। এর সাহায্যে উত্তর-দক্ষিণে দুটি স্থানের দূরত্ব মাপা সম্ভব।
৫। অক্ষরেখার তিনটি বৈশিষ্ট্য লেখো।
অক্ষরেখার তিনটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো:
  • পূর্ণবৃত্ত ও সমান্তরাল: প্রতিটি অক্ষরেখা পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এক একটি পূর্ণবৃত্ত এবং এরা পরস্পর সমান্তরাল।
  • পরিধি ভিন্ন: নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে অক্ষরেখাগুলির পরিধি ক্রমশ কমতে থাকে।
  • সর্বোচ্চ মান: অক্ষরেখার সর্বনিম্ন মান ০° (নিরক্ষরেখা) এবং সর্বোচ্চ মান ৯০° (মেরু বিন্দু)।
৬। উষ্ণমণ্ডলের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩.৫° উঃ) থেকে মকরক্রান্তি রেখা (২৩.৫° দঃ) পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলকে উষ্ণমণ্ডল বলে।
বৈশিষ্ট্য:
  • সূর্যের লম্বকিরণ: এখানে বছরের অন্তত দুবার সূর্য মাথার ওপর লম্বভাবে কিরণ দেয়।
  • অধিক উষ্ণতা: লম্বকিরণের কারণে এখানে সারাবছর উষ্ণতা অনেক বেশি থাকে এবং শীতকাল অনুভূত হয় না।
  • দিন-রাত্রির দৈর্ঘ্য: এখানে দিন ও রাত্রির দৈর্ঘ্যের পার্থক্য খুব কম হয়।
[attachment_1](attachment)
৭। দ্রাঘিমারেখার বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করো।
দ্রাঘিমারেখার প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলি হলো:
  • অর্ধবৃত্ত: প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত এক একটি অর্ধবৃত্ত।
  • দৈর্ঘ্য সমান: প্রতিটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান কিন্তু এরা সমান্তরাল নয়।
  • মেরুতে মিলন: সবকটি দ্রাঘিমারেখা উত্তর ও দক্ষিণ মেরুবিন্দুতে গিয়ে মিলিত হয়েছে।
৮। দ্রাঘিমার সঙ্গে সময়ের সম্পর্ক কী?
দ্রাঘিমার সঙ্গে সময়ের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর:
  • সময়ের পার্থক্য: পৃথিবীর আবর্তনের কারণে ১° দ্রাঘিমার পার্থক্যে সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট।
  • পূর্ব ও পশ্চিমের সময়: কোনো স্থান থেকে পূর্বে গেলে সময় বাড়ে এবং পশ্চিমে গেলে সময় কমে।
  • সূর্যের অবস্থান: কোনো নির্দিষ্ট দ্রাঘিমারেখায় সূর্য যখন ঠিক মাথার ওপর আসে, তখন সেখানে দুপুর ১২টা বাজে।
৯। স্থানীয় সময় ও প্রমাণ সময়ের পার্থক্য কী?
বিষয় স্থানীয় সময় প্রমাণ সময়
সংজ্ঞা আকাশে সূর্যের অবস্থান দেখে নির্ধারিত সময়। দেশের মধ্যবর্তী কোনো দ্রাঘিমা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়।
পরিবর্তন দ্রাঘিমা বদলালে এটি বদলে যায়। পুরো দেশে এটি একই থাকে।
১০। রাশিয়ার অনেকগুলি সময় অঞ্চল ধরা হয়েছে কেন?
রাশিয়া পৃথিবীর বৃহত্তম দেশ এবং এর পূর্ব-পশ্চিমের দ্রাঘিমাগত বিস্তার প্রায় ১৭০°। এত বিশাল বিস্তারের কারণে দেশের পূর্ব ও পশ্চিম প্রান্তের স্থানীয় সময়ের পার্থক্য হয় প্রায় ১১ ঘণ্টা। যদি রাশিয়ায় একটি মাত্র প্রমাণ সময় থাকত, তবে এক প্রান্তে যখন দুপুর, অন্য প্রান্তে তখন গভীর রাত হতো। এই প্রশাসনিক ও ব্যবহারিক অসুবিধা দূর করতে রাশিয়ায় মোট ১১টি সময় অঞ্চল রাখা হয়েছে।
১১। আন্তর্জাতিক তারিখরেখাকে মাঝে মাঝে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে কেন?
আন্তর্জাতিক তারিখরেখা (১৮০° দ্রাঘিমা) যদি কোনো স্থলভাগের ওপর দিয়ে সোজা যেত, তবে একই দেশের এক পাশে এক তারিখ এবং অন্য পাশে অন্য তারিখ হতো। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে তারিখ ও বার নিয়ে চরম বিভ্রান্তি তৈরি হতো। এই সমস্যা এড়াতে যেখানেই স্থলভাগ পড়েছে, সেখানেই রেখাটিকে সমুদ্রের ওপর দিয়ে অর্থাৎ এলুশিয়ান দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, চ্যাথাম প্রভৃতি স্থানে বাঁকিয়ে দেওয়া হয়েছে।
১২। স্থানগুলির প্রতিপাদস্থান নির্ণয় করো:
আমরা জানি, কোনো স্থানের প্রতিপাদস্থানের অক্ষাংশ হবে বিপরীত গোলার্ধের সমমান এবং দ্রাঘিমা হবে (১৮০° - মূল দ্রাঘিমা)।

(a) ৩০° উঃ / ৫০° পঃ এর প্রতিপাদস্থান:
• অক্ষাংশ: ৩০° দক্ষিণ
• দ্রাঘিমা: (১৮০° - ৫০°) = ১৩০° পূর্ব

(b) ১১° উঃ / ০° এর প্রতিপাদস্থান:
• অক্ষাংশ: ১১° দক্ষিণ
• দ্রাঘিমা: ১৮০° - ০° = ১৮০° পূর্ব/পশ্চিম
© 2026 Teach Vibes | শিক্ষার আলোয় গড়ব ভবিষ্যৎ

রচনাধর্মী প্রশ্নোত্তর (মান-৫)

অধ্যায় ২: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

১। অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার বৈশিষ্ট্যগুলি উল্লেখ করো।

অক্ষরেখার বৈশিষ্ট্য:

  • পূর্ণবৃত্ত: প্রতিটি অক্ষরেখা পূর্ব-পশ্চিমে বিস্তৃত এক একটি পূর্ণবৃত্ত।
  • সমান্তরাল: অক্ষরেখাগুলি পরস্পর সমান্তরাল, এরা কখনোই একে অপরকে স্পর্শ করে না।
  • পরিধি: নিরক্ষরেখা থেকে মেরুর দিকে অক্ষরেখাগুলির পরিধি ক্রমশ ছোট হতে থাকে।
  • মান: অক্ষরেখার মান ০° থেকে ৯০° (উত্তর ও দক্ষিণ) পর্যন্ত হয়।
[attachment_0](attachment)

দ্রাঘিমারেখার বৈশিষ্ট্য:

  • অর্ধবৃত্ত: প্রতিটি দ্রাঘিমারেখা উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত বিস্তৃত অর্ধবৃত্ত।
  • দৈর্ঘ্য: সবকটি দ্রাঘিমারেখার দৈর্ঘ্য সমান।
  • মিলনস্থল: সমস্ত দ্রাঘিমারেখা উত্তর ও দক্ষিণ মেরু বিন্দুতে মিলিত হয়েছে।
  • মান: দ্রাঘিমারেখার মান ০° থেকে ১৮০° (পূর্ব ও পশ্চিম) পর্যন্ত হয়।
[attachment_1](attachment)
২। অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমারেখার গুরুত্ব ও ব্যবহার উল্লেখ করো।

অক্ষরেখার গুরুত্ব ও ব্যবহার:

  • অবস্থান নির্ণয়: কোনো স্থান নিরক্ষরেখা থেকে কতটা উত্তর বা দক্ষিণে অবস্থিত তা অক্ষাংশের সাহায্যে জানা যায়।
  • জলবায়ু নির্ণয়: অক্ষাংশের ভিত্তিতে পৃথিবীকে উষ্ণ, নাতিশীতোষ্ণ ও হিমমণ্ডলে ভাগ করা হয়েছে, যা কোনো অঞ্চলের জলবায়ু বুঝতে সাহায্য করে।
  • দূরত্ব পরিমাপ: ভূপৃষ্ঠে উত্তর-দক্ষিণে দুটি স্থানের দূরত্ব নির্ণয়ে অক্ষাংশ ব্যবহৃত হয়।

দ্রাঘিমারেখার গুরুত্ব ও ব্যবহার:

  • সময় নির্ধারণ: দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে কোনো স্থানের স্থানীয় সময় এবং প্রমাণ সময় নির্ণয় করা হয়।
  • পূর্ব-পশ্চিম অবস্থান: কোনো স্থান মূল মধ্যরেখা থেকে কতটা পূর্বে বা পশ্চিমে অবস্থিত তা জানা যায়।
  • আন্তর্জাতিক তারিখরেখা: ১৮০° দ্রাঘিমারেখার সাহায্যে বিশ্বজুড়ে তারিখ ও বারের হিসাব রাখা হয়।
৩। ধ্রুবতারার সাহায্যে অক্ষাংশ নির্ণয় (জ্যামিতিক পদ্ধতি)।
উত্তর গোলার্ধে ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ মেপে কোনো স্থানের অক্ষাংশ নির্ণয় করা হয়।

পদ্ধতি:

  • ধ্রুবতারা উত্তর মেরুর ঠিক ওপরে (৯০° অক্ষাংশ) অবস্থিত।
  • পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে নিরক্ষীয় তলের সাপেক্ষে ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ যা হয়, সেই স্থানের অক্ষাংশও তাই হয়।
  • সূত্র: কোনো স্থানের অক্ষাংশ = সেই স্থানে ধ্রুবতারার উন্নতি কোণ।
  • উদাহরণ: যদি কলকাতা থেকে ধ্রুবতারাকে ২২.৫° কোণে দেখা যায়, তবে কলকাতার অক্ষাংশ হবে ২২.৫° উত্তর।
৪। দিল্লি, নিউইয়র্ক ও সিডনির স্থানীয় সময় নির্ণয়।
দিল্লি: ৭৭° পূঃ (সন্ধ্যা ৬টা)
নিউইয়র্ক: ৭৪° পঃ | সিডনি: ১৫১°৩০′ পূঃ

নিউইয়র্কের সময়:
দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৭৭° + ৭৪° = ১৫১°
সময়ের পার্থক্য = ১৫১ × ৪ = ৬০৪ মিনিট = ১০ ঘণ্টা ৪ মিনিট।
যেহেতু নিউইয়র্ক দিল্লির পশ্চিমে, তাই সময় বিয়োগ হবে।
উত্তর: সকাল ৭টা ৫৬ মিনিট।

সিডনির সময়:
দ্রাঘিমার পার্থক্য = ১৫১°৩০′ - ৭৭° = ৭৪°৩০′
সময়ের পার্থক্য = (৭৪ × ৪) + (৩০ × ৪/৬০) = ২৯৬ + ২ = ২৯৮ মিনিট = ৪ ঘণ্টা ৫৮ মিনিট।
সিডনি দিল্লির পূর্বে অবস্থিত, তাই সময় যোগ হবে।
উত্তর: রাত্রি ১০টা ৫৮ মিনিট।
৫। হিথরো থেকে কলকাতা বিমান যাত্রা।
যাত্রা শুরু: ২৮ ফেব, রাত ১১:৩০ (হিথরো ০°)
উড্ডয়ন কাল: ৮ ঘণ্টা
কলকাতা (৮৮°৩০′ পূঃ) এর সময় হিথরো থেকে এগিয়ে = (৮৮.৫ × ৪) = ৩৫৪ মিনিট = ৫ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট।
বিমানটি যখন পৌঁছায় তখন হিথরোতে সময়: ১১:৩০ রাত + ৮ ঘণ্টা = পরদিন সকাল ৭:৩০ মিনিট (১লা মার্চ)।
কলকাতার সময় (IST): সকাল ৭:৩০ + ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট (ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা অনুযায়ী পার্থক্য)
উত্তর: ১লা মার্চ, দুপুর ১টা।
৬। কলকাতার প্রতিপাদস্থানের সময় ও তারিখ।
কলকাতার অবস্থান: ২২°৩০′ উ / ৮৮°৩০′ পূ (১লা মার্চ, সকাল ৬টা)।
প্রতিপাদস্থানের অবস্থান: ২২°৩০′ দ / (১৮০ - ৮৮°৩০′) = ৯১°৩০′ প।
দ্রাঘিমার পার্থক্য = ১৮০°
সময়ের পার্থক্য = ১৮০ × ৪ = ৭২০ মিনিট = ১২ ঘণ্টা।
প্রতিপাদস্থান ঠিক বিপরীতে অবস্থিত হওয়ায় সময়ের পার্থক্য সর্বদা ১২ ঘণ্টা হয়।
কলকাতায় সকাল ৬টা হলে প্রতিপাদস্থানে হবে সন্ধ্যা ৬টা।
উত্তর: ২৮শে ফেব্রুয়ারি (লীপ ইয়ার না হলে), সন্ধ্যা ৬টা।
৭। ভ্যাঙ্কুবার ও ব্লাডিভস্টকের সময় নির্ণয়।
ভ্যাঙ্কুবার: ১২৩° প (১৫ আগস্ট, সন্ধ্যা ৬টা)
ব্লাডিভস্টক: ১৩২° পূ
মোট দ্রাঘিমা পার্থক্য = ১২৩° + ১৩২° = ২৫৫°
সময়ের পার্থক্য = ২৫৫ × ৪ = ১০২০ মিনিট = ১৭ ঘণ্টা।
ব্লাডিভস্টক ভ্যাঙ্কুবারের পূর্বে অবস্থিত, তাই সময় যোগ হবে।
১৫ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টা + ১৭ ঘণ্টা = ১৬ আগস্ট সকাল ১১টা।
উত্তর: ১৬ই আগস্ট, সকাল ১১টা।
© 2026 Teach Vibes | উন্নত শিক্ষার ডিজিটাল সহযোগী।

ভূগোল গাণিতিক সমাধান (মান-৫)

অধ্যায় ২: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

৮। A ও B দুটির দ্রাঘিমা নির্ণয় করো।
গ্রিনিচ সময় (GMT) = দুপুর ১২টা।
A স্থানের জন্য: সময় সকাল ৬টা (গ্রিনিচ থেকে ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে)।
পার্থক্য = ৬ ঘণ্টা = ৩৬০ মিনিট। ১° দ্রাঘিমায় ৪ মিনিট হলে, ৩৬০ মিনিটে (৩৬০÷৪) = ৯০°।
পিছিয়ে থাকায় এটি পশ্চিম গোলার্ধ। A = ৯০° পশ্চিম।

B স্থানের জন্য: সময় বিকেল ৬টা (গ্রিনিচ থেকে ৬ ঘণ্টা এগিয়ে)।
পার্থক্য = ৬ ঘণ্টা = ৩৬০ মিনিট = ৯০°। এগিয়ে থাকায় এটি পূর্ব গোলার্ধ।
উত্তর: A এর দ্রাঘিমা ৯০° পঃ এবং B এর দ্রাঘিমা ৯০° পূঃ।
৯। সিডনির হকি ম্যাচ কলকাতায় কখন দেখা যাবে?
সিডনির দ্রাঘিমা = ১৫১°৩০′ পূঃ। ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা (IST) = ৮২°৩০′ পূঃ।
পার্থক্য = ১৫১°৩০′ - ৮২°৩০′ = ৬৯°।
সময়ের পার্থক্য = ৬৯ × ৪ = ২৭৬ মিনিট = ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট।
যেহেতু ভারত সিডনির পশ্চিমে, তাই সময় পিছিয়ে থাকবে।
সময় = দুপুর ১২টা - ৪ ঘণ্টা ৩৬ মিনিট।
উত্তর: সকাল ৭টা ২৪ মিনিটে টিভি খুলতে হবে।
১০। নিউইয়র্ক থেকে রাত্রি ১০টায় শোনা সংবাদের স্থানটির দ্রাঘিমা কত?
নিউইয়র্ক (৭৪° পঃ) সময় দুপুর ১২টা। অন্য স্থানের সময় রাত্রি ১০টা।
সময়ের পার্থক্য = ১০ ঘণ্টা = ৬০০ মিনিট।
দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৬০০ ÷ ৪ = ১৫০°।
স্থানটি নিউইয়র্কের পূর্বে অবস্থিত।
দ্রাঘিমা = ১৫০° - ৭৪° (যেহেতু নিউইয়র্ক পশ্চিমে) = ৭৬° পূর্ব।
উত্তর: স্থানটির দ্রাঘিমা ৭৬° পূর্ব।
১১। জাহাজের ক্যাপ্টেন ও ক্রনোমিটারের সাহায্যে দ্রাঘিমা নির্ণয়।
জাহাজের সময় (স্থানীয় সময়) = বেলা ১টা।
ক্রনোমিটারের সময় (গ্রিনিচ সময়) = সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট।
সময়ের পার্থক্য = ৫ ঘণ্টা ৩০ মিনিট = ৩৩০ মিনিট।
দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৩৩০ ÷ ৪ = ৮২.৫° বা ৮২°৩০′।
যেহেতু জাহাজের সময় গ্রিনিচ থেকে পিছিয়ে, তাই এটি পশ্চিম গোলার্ধ।
উত্তর: জাহাজটি ৮২°৩০′ পশ্চিম দ্রাঘিমায় আছে।
১২। পাকিস্তান ও বাংলাদেশের প্রমাণ দ্রাঘিমা কত?
ভারতের প্রমাণ দ্রাঘিমা = ৮২°৩০′ পূঃ।
পাকিস্তান (৩০ মিনিট পিছিয়ে): ৩০ মিনিট = ৭°৩০′ দ্রাঘিমা।
দ্রাঘিমা = ৮২°৩০′ - ৭°৩০′ = ৭৫°০০′ পূঃ।
বাংলাদেশ (৩০ মিনিট এগিয়ে): ৩০ মিনিট = ৭°৩০′ দ্রাঘিমা।
দ্রাঘিমা = ৮২°৩০′ + ৭°৩০′ = ৯০°০০′ পূঃ।
উত্তর: পাকিস্তানের ৭৫° পূঃ এবং বাংলাদেশের ৯০° পূঃ।
১৩। মস্কোর উন্নতি কোণ সাপেক্ষে কলকাতার স্থানীয় সময়।
মস্কোর উন্নতি কোণ ৬৫° হলে সেখানে তখন দুপুর ১২টা বাজে।
মস্কো (৩৭°৩০′ পূঃ) এবং কলকাতা (৮৮°৩০′ পূঃ)।
দ্রাঘিমা পার্থক্য = ৮৮°৩০′ - ৩৭°৩০′ = ৫১°।
সময়ের পার্থক্য = ৫১ × ৪ = ২০৪ মিনিট = ৩ ঘণ্টা ২৪ মিনিট।
কলকাতা পূর্বে অবস্থিত হওয়ায় সময় যোগ হবে। ১২টা + ৩ ঘণ্টা ২৪ মিনিট।
উত্তর: কলকাতার স্থানীয় সময় বিকেল ৩টা ২৪ মিনিট।
১৪। বিমানটি কখন Y স্থানে অবতরণ করবে?
X (১৬০° পূঃ) এবং Y (১৪০° পঃ)।
মোট দ্রাঘিমা পার্থক্য = (১৮০ - ১৬০) + (১৮০ - ১৪০) = ২০ + ৪০ = ৬০°। (আন্তর্জাতিক তারিখরেখা অতিক্রম করলে)
সময়ের পার্থক্য = ৬০ × ৪ = ২৪০ মিনিট = ৪ ঘণ্টা।
Y স্থানটি তারিখরেখা পেরিয়ে পশ্চিমে গেলে সময় বাড়ে। যাত্রা শুরুর সময় Y তে সময় ছিল ১০টা + ৪ ঘণ্টা = দুপুর ২টা।
আকাশে ছিল ৮ ঘণ্টা ৩০ মিনিট। অবতরণ সময় = ২টা + ৮ ঘণ্টা ৩০ মিনিট = রাত ১০টা ৩০ মিনিট (১০ই মার্চ)।
উত্তর: ১০ই মার্চ, রাত্রি ১০টা ৩০ মিনিট।
১৫। 'ক' ও 'খ' স্থানের সময় ও তারিখ।
ক (১৫০° পঃ) সময় ১০ই আগস্ট সকাল ১০টা।
খ (১৬০° পঃ) ক-এর পশ্চিমে অবস্থিত।
দ্রাঘিমা পার্থক্য = ১৬০° - ১৫০° = ১০°।
সময়ের পার্থক্য = ১০ × ৪ = ৪০ মিনিট।
যেহেতু পশ্চিমে, সময় কমবে। ১০টা - ৪০ মিনিট = ৯টা ২০ মিনিট।
উত্তর: ১০ই আগস্ট, সকাল ৯টা ২০ মিনিট।
© 2026 Teach Vibes | শিক্ষার সঠিক দিশা।

ভূগোল গাণিতিক সমাধান (পার্ট-৩)

অধ্যায় ২: পৃথিবীপৃষ্ঠে কোনো স্থানের অবস্থান নির্ণয়

১৬। এথেন্সের অলিম্পিক অনুষ্ঠান এলাহাবাদে কখন সম্প্রচারিত হবে?
প্রদত্ত তথ্য:
এথেন্সের দ্রাঘিমা = ২৪° পূঃ
এলাহাবাদের দ্রাঘিমা = ৮২°৩০′ পূঃ
এথেন্সের স্থানীয় সময় = রাত্রি ৮টা ৩০ মিনিট।

সমাধানের ধাপসমূহ:
১. দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৮২°৩০′ - ২৪° = ৫৮°৩০′
২. সময়ের পার্থক্য = (৫৮ × ৪) + (৩০ × ৪/৬০) মিনিট
   = ২৩২ + ২ = ২৩৪ মিনিট
   = ৩ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট।
যেহেতু এলাহাবাদ এথেন্সের পূর্বে অবস্থিত, তাই এলাহাবাদের সময় এগিয়ে থাকবে।
এলাহাবাদের সময় = রাত্রি ৮টা ৩০ মিনিট + ৩ ঘণ্টা ৫৪ মিনিট।
= রাত্রি ১১টা ৮৪ মিনিট (অর্থাৎ রাত ১২টা ২৪ মিনিট)।
উত্তর: এলাহাবাদে পরদিন রাত ১২টা ২৪ মিনিটে সরাসরি সম্প্রচারিত হবে।
১৭। নিউইয়র্ক থেকে রাত্রি ৮টায় শোনা সংবাদের স্থানটির দ্রাঘিমা কত?
প্রদত্ত তথ্য:
নিউইয়র্কের দ্রাঘিমা = ৭৪° পঃ
নিউইয়র্কের সময় = দুপুর ১২টা
নির্ণেয় স্থানের সময় = রাত্রি ৮টা।

সমাধানের ধাপসমূহ:
১. সময়ের পার্থক্য = রাত্রি ৮টা - দুপুর ১২টা = ৮ ঘণ্টা বা ৪৮০ মিনিট।
২. দ্রাঘিমার পার্থক্য = ৪৮০ ÷ ৪ = ১২০°।
যেহেতু স্থানটির সময় নিউইয়র্কের চেয়ে বেশি (এগিয়ে), তাই স্থানটি নিউইয়র্কের পূর্বে অবস্থিত হবে।
দ্রাঘিমা নির্ণয়:
স্থানটি পশ্চিম গোলার্ধ থেকে ১২০° পূর্ব দিকে অগ্রসর হচ্ছে।
দ্রাঘিমা = ১২০° - ৭৪° = ৪৬° (পূর্ব গোলার্ধে প্রবেশ করেছে)।
উত্তর: স্থানটির দ্রাঘিমা ৪৬° পূর্ব।
© 2026 Teach Vibes | পড়াশোনার সব সমাধান এখন আপনার মুঠোয়।

💡 আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ

"প্রিয় ছাত্র-ছাত্রীরা, ভূগোল কেবল মুখস্থ করার বিষয় নয়, এটি অনুভবের বিষয়। যখন তোমরা অক্ষরেখা বা দ্রাঘিমাংশ পড়বে, তখন কল্পনা করো তুমি গ্লোবটির সামনে দাঁড়িয়ে আছো। মনে রাখবে, পরীক্ষায় ভালো নম্বর পাওয়া জরুরি, কিন্তু বিষয়টি ভেতর থেকে বুঝতে পারা তোমাকে ভবিষ্যতে অনেক এগিয়ে দেবে। নিজের ওপর বিশ্বাস রাখো, পরিশ্রম কখনো বৃথা যায় না।"

🚀 পরীক্ষার জন্য বিশেষ টিপস

  • চিত্রের ব্যবহার: ভূগোলের বড় প্রশ্নে যেখানেই সম্ভব ছোট পেন্সিল স্কেচ বা ডায়াগ্রাম দেওয়ার চেষ্টা করবে। এতে পরীক্ষক মুগ্ধ হন।
  • অংকের ধাপ: দ্রাঘিমা বা সময়ের অংক করার সময় প্রতিটি ধাপ পরিষ্কারভাবে লিখবে। উত্তর ভুল হলেও ধাপের জন্য নম্বর পাওয়া যায়।
  • পয়েন্ট করে উত্তর: বড় প্রশ্নগুলো প্যারাগ্রাফ না লিখে পয়েন্ট আকারে লিখলে নম্বর বেশি পাওয়া যায়।

এই নোটটি কি তোমার উপকারে এসেছে?

তোমার বন্ধুদের সাথে এটি শেয়ার করো এবং তাদের পড়াশোনায় সাহায্য করো!

নিয়মিত আপডেট পেতে আমাদের Teach Vibes পেজটি ফলো করো।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ